জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উদ্যাপনের অংশ হিসেবে রাজধানীতে ট্রাকযোগে ভ্রাম্যমান সংগীত পরিবেশন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর। এ কর্মসূচির মাধ্যমে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় দেশাত্মবোধক ও উদ্বুদ্ধমূলক সংগীত পরিবেশন করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিচালক (প্রচার ও সমন্বয়) ডালিয়া ইয়াসমিন। পরে অধিদপ্তরের নিজস্ব শিল্পীরা দুটি দলে বিভক্ত হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সংগীত পরিবেশন করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের তরুণ সমাজের নাগরিক সচেতনতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি উল্লেখ করেন, ইতিহাসে বিভিন্ন ইতিবাচক পরিবর্তনের পেছনে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে এবং অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান সমাজকে নতুন দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় যে গণআন্দোলনের সৃষ্টি হয়েছিল, তা পরবর্তীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে আত্মত্যাগের ঘটনাগুলো দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করবে।
মো. আবদুল জলিল জানান, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের শিল্পীরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে নতুন জাগরণমূলক গান তৈরি ও পরিবেশন করেছেন। এসব সংগীত মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম, ইতিবাচক চিন্তা এবং সমাজ উন্নয়নে অংশগ্রহণের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ভ্রাম্যমান সংগীত কর্মসূচির মাধ্যমে রাজধানীর ব্যস্ত ও জনবহুল এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্তা, তরুণদের ভূমিকা এবং নাগরিক সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক (কারিগরি ও প্রশিক্ষণ) মীর মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) সৈয়দ এ মু’মেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।




