জুলাই-আগস্টের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান থাকা অবস্থায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড মাঠপর্যায়ে নিষিদ্ধ থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে আদালত এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর এখতিয়ারভুক্ত বিষয়। বিচারিক প্রক্রিয়ার ফলাফলের ওপরই দলটির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে।
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কি হবে না, তা আদালত নির্ধারণ করবে। আইসিটিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, সেই বিচারের ফলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।”
তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলটি বিচারাধীন অবস্থায় থাকবে। এই সময়ে তারা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামলে তা আইনভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এবং সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ব্রিফিংয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিচারিক কার্যক্রম চলমান থাকায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে এবং আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করতে হবে।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি পুনরায় উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালত ও আইসিটির রায়ের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে চলমান আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই তথ্য উপদেষ্টার এ বক্তব্য নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। তবে বিষয়টি এখনো বিচারাধীন থাকায় সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আদালতের পরবর্তী কার্যক্রম ও সিদ্ধান্তের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে।




